• রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
ইরানে হামলা আরও বাড়ানোর হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের, যুদ্ধ থামাতে আলোচনা চলছে—দাবি ট্রাম্পের তেল আবিবে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে ক্ষয়ক্ষতি, আহত ৩ শাহজালালের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, উদ্বেগ বাড়ছে এলাকায় তেল আবিবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা! অল্পের জন্য বড় বিপর্যয় এড়াল ইসরায়েল “যুদ্ধ থামাতে ইরানকে গোপন বার্তা! বন্ধুরাষ্ট্রের মাধ্যমে চাপে যুক্তরাষ্ট্র” ফেসবুকে কনটেন্ট তৈরি করে আয়—নতুন প্রোগ্রামে মাসে মিলতে পারে ৩ হাজার ডলার মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় কেঁপে উঠল ইরান! ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার ডেডলাইন, ইরানের পাল্টা হুমকি: জ্বালানি বাজারে আতঙ্ক “বুশেহর বন্দরে আগুন, হামলার অভিযোগ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, টার্গেট ছিল মার্কিন ঘাঁটি!

ইরানে হামলা আরও বাড়ানোর হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের, যুদ্ধ থামাতে আলোচনা চলছে—দাবি ট্রাম্পের

Dawan Rony
Update : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

Spread the love

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে! ইসরায়েলের হুঁশিয়ারি—ইরানে হামলা হবে আরও বড়, আরও বিস্তৃত! আর ঠিক সেই সময় ট্রাম্প বলছেন, যুদ্ধ থামানোর আলোচনা নাকি ভালোভাবেই এগোচ্ছে। তাহলে আসলে কী ঘটছে?

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা ইরানের ওপর তাদের হামলা আরও তীব্র ও বিস্তৃত করবে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী সতর্ক করে বলেছেন, ইরান এই যুদ্ধের জন্য বড় মূল্য দিতে বাধ্য হবে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা এগোচ্ছে। তবে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা কোনো ধরনের আলোচনায় অংশ নিচ্ছে না।

এই সংঘাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালী, যেখানে দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে এই প্রণালী খুলে দিতে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। এমনকি সতর্ক করা হয়েছে—নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এটি খুলে না দিলে ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা চালানো হতে পারে।

এদিকে, ইসরায়েল দাবি করেছে তারা তেহরানের ভেতরে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির স্থাপনাসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। একইসঙ্গে পশ্চিম ইরানেও আঘাত হানা হয়েছে।

এই সংঘাতের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে পুরো অঞ্চলে। লেবানন, সৌদি আরব ও কুয়েতেও হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

শুধু যুদ্ধ নয়, এর প্রভাব পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতিতেও। তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৭ ডলারে পৌঁছেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে বড় ধরনের বৃদ্ধি।

সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। যুদ্ধ কি থামবে, নাকি আরও বড় সংঘাতে রূপ নেবে—সেই প্রশ্ন এখন পুরো বিশ্বের সামনে।

Visited ৩ times, ১ visit(s) today


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd