যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে খুলে দিয়েছে, ফলে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল আবার স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়েছে।
তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিষয়টি সরাসরি “স্থায়ীভাবে খুলে দেওয়া” নয়, বরং একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতির (ceasefire) সময় সীমিত শর্তে শিপিং চলাচল চালুর ঘোষণা।
কী ঘটেছে?
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, লেবানন–ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অনুমোদন করা হয়েছে। তবে এটি নির্দিষ্ট রুট ও শর্তের অধীনে কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়।
এরপর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান,
হরমুজ প্রণালী এখন “সম্পূর্ণ খোলা এবং পূর্ণ চলাচলের জন্য প্রস্তুত”, তবে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা আপাতত বহাল থাকবে।
বাজারে প্রভাব
এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়—
বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় ১০–১১% কমে যায়
বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে
শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালী স্বাভাবিকভাবে চালু থাকলে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের স্থিতিশীলতা আসতে পারে, কারণ এই রুট দিয়ে বিশ্ব তেলের বড় একটি অংশ পরিবহন হয়।
পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এটি এখনো পুরোপুরি স্থায়ী সমাধান নয়।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়ে গেছে
মাইন অপসারণ ও নিরাপদ রুট নিশ্চিত করার কাজ চলছে
রাজনৈতিক আলোচনা এখনও চলমান
সংক্ষেপে
হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে এটি এখনো অস্থায়ী ও শর্তসাপেক্ষ স্থিতি, যা ভবিষ্যৎ আলোচনার ওপর নির্ভর করবে।