
ঢাকা: দেশে বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়ার মধ্যেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১ (ICT-1) আজ বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছে, শেখ হাসিনা ও দুই সহ-আরোপর (যাদের একজন হলেন আসাদুজ্জামান খান)-এর বিরুদ্ধে গ্রেফতার করা ও বিচারাধীন মামলার রায় ১৭ নভেম্বর ঘোষণা করা হবে।
মামলার পটভূমি
ঘটনাটি গত বছরের জুলাই মাসে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন ও উত্তাল পরিস্থিতির পর থেকে লেগেই আছে। ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ করেছে, আন্দোলন দমন ও হত্যার সঙ্গে শেখ হাসিনা ও অন্যান্যদের “উচ্চ পর্যায়ের কমান্ড দায়িত্ব” রয়েছে।
বিচারকার্যকাল গত কয়েক মাস ধরে চলেছে-—গত ১৭ অক্টোবর প্রথম শুনানিটিতে গ্রেফতার ও হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
আজ রায় ঘোষণা করার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
কেন এ রায় এত বড় খবর?
শিখা হাসিনা কখনও একাদিকালে দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন; এই মামলায় তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হচ্ছে, যা রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে বিরল।
দেশের রাজধানী ঢাকায় ও অন্যান্য এলাকায় নিরাপত্তা তৎপরতা দেখা গেছে।
এ নিয়ে রাজনৈতিক দল-সমর্থক পর্যায়ে উদ্বেগ ও উত্তেজনা রয়েছে; বন্দ-বাতিলের ডাক দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা-পরিস্থিতি
আজ ট্রাইব্যুনাল ভবনের চারপাশে ও রাজধানীর বিভিন্ন মূল সড়কে সেনা, সীমান্ত রক্ষিবাহিনী, পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এছাড়া রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় ‘লকডাউন’ বা পার্থক্যসূচক কর্মসূচি পালনের ডাক দেওয়া হয়েছে, যা সাধারণ জনসহ সংস্লিষ্টদের উদ্বিগ্ন করেছে।
আগামী ধাপ
১৭ নভেম্বর নির্ধারিত রায়ে কী সিদ্ধান্ত দেয়া হবে-—তাতে দেশীয় রাজনৈতিক ভূমিকায় বড় প্রভাব পড়তে পারে।
সূত্র বলছে, অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে: হত্যা, অনুপ্রেরণা ও সহায়তা করা, ছাত্রদের ওপর হামলা, উভয় ধরনের দৃষ্টান্তমূলক দণ্ড ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি।
রায় ঘোষণার আগে এবং পরে হয়তো নতুন প্রেক্ষাপট ও প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে—উভয় পক্ষই প্রস্তুত।
—
সামগ্রিক মূল্যায়ন
এই মামলা শুধু এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বলবৎ একটি রায় নয়—এটি দেশের বিচারব্যবস্থা, রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা ও সামাজিক শান্তির পরিপ্রেক্ষিতেও গুরুত্বপূর্ণ। আগামী রায়ে যে সিদ্ধান্তই আসে না কেন, তার রাজনৈতিক, সামাজিক ও আইনগত প্রভাব দীর্ঘমেয়াদী হবে। আপনার নিউজ চ্যানেলের দর্শক-শ্রোতাদের জন্য এই খবরটি বর্তমান প
রিস্থিতি বুঝতে ও বিশ্লেষণ করতে সহায়ক হবে।