• রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
ইরানে হামলা আরও বাড়ানোর হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের, যুদ্ধ থামাতে আলোচনা চলছে—দাবি ট্রাম্পের তেল আবিবে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে ক্ষয়ক্ষতি, আহত ৩ শাহজালালের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, উদ্বেগ বাড়ছে এলাকায় তেল আবিবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা! অল্পের জন্য বড় বিপর্যয় এড়াল ইসরায়েল “যুদ্ধ থামাতে ইরানকে গোপন বার্তা! বন্ধুরাষ্ট্রের মাধ্যমে চাপে যুক্তরাষ্ট্র” ফেসবুকে কনটেন্ট তৈরি করে আয়—নতুন প্রোগ্রামে মাসে মিলতে পারে ৩ হাজার ডলার মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় কেঁপে উঠল ইরান! ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার ডেডলাইন, ইরানের পাল্টা হুমকি: জ্বালানি বাজারে আতঙ্ক “বুশেহর বন্দরে আগুন, হামলার অভিযোগ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, টার্গেট ছিল মার্কিন ঘাঁটি!

শাহজালালের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, উদ্বেগ বাড়ছে এলাকায়

Dawan Rony
Update : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬

Spread the love

দেশের বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে এক ধরনের প্রতারণা। কিছু অসাধু ব্যক্তি পবিত্র মাজারের নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করছে। ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে চালানো এই কর্মকাণ্ডে প্রতারিত হচ্ছেন অনেকেই—যা নিয়ে সচেতনতার প্রয়োজন বাড়ছে।

যেভাবে চলছে এই কার্যক্রম

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব ব্যক্তি নিজেদের মাজার–সংক্রান্ত লোক পরিচয় দিয়ে বাড়ি ও দোকানে ঘুরে বেড়ায়। কারও মাথায় পাগড়ি, কারও গায়ে সালু কাপড়। সঙ্গে থাকে মাজারের ছবি বা পোস্টার। অনেক ক্ষেত্রে দলবদ্ধভাবে ঢোল-বাদ্য নিয়েও এলাকায় প্রবেশ করে তারা।

বাড়ি বা দোকানে গিয়ে তারা “মাজারের দোহাই” দিয়ে টাকা দাবি করে। অনেকেই ধর্মীয় আবেগ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে টাকা দিয়ে দেন, বিষয়টি যাচাই করার সুযোগও নেন না।

স্বল্প সময়ে বেশি আয়ের প্রলোভন

স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে মাত্র কয়েক ঘণ্টা ঘুরেই তারা উল্লেখযোগ্য অঙ্কের টাকা সংগ্রহ করে। কোনো পুঁজি বা পরিশ্রম ছাড়াই এই আয় হওয়ায় অনেকেই এটিকে সহজ আয়ের পথ হিসেবে বেছে নিচ্ছে।

একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, একজন চাকরিজীবী যেখানে মাস শেষে নির্দিষ্ট বেতন পান, সেখানে এসব ব্যক্তি প্রতিদিনই ভালো অঙ্কের টাকা আয় করছে।

নিরাপত্তা ঝুঁকির শঙ্কা

শুধু প্রতারণা নয়, এর সঙ্গে নিরাপত্তা ঝুঁকিও জড়িত বলে মনে করছেন অনেকেই। অভিযোগ রয়েছে, একই কৌশলে বাসায় প্রবেশ করে চুরি বা ডাকাতির ঘটনাও ঘটেছে কিছু এলাকায়।

এ কারণে অপরিচিত কাউকে বাসায় ঢুকতে দেওয়া নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন সচেতন নাগরিকরা।

দানের বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন

ধর্মীয় কারণে অনেকেই দান করতে আগ্রহী হন। তবে প্রতারণার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থে দান করা কতটা গ্রহণযোগ্য—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সচেতন মহলের মতে, যাচাই ছাড়া এ ধরনের দান না করাই উত্তম।

করণীয় কী

সংশ্লিষ্টরা বলছেন,

অপরিচিত কাউকে সহজে বাসায় প্রবেশ করতে না দেওয়া

মাজার বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ চাওয়ায় সতর্ক থাকা

সন্দেহজনক কিছু দেখলে স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো

সচেতনতার বিকল্প নেই

ধর্মীয় আবেগকে পুঁজি করে চালানো এই প্রতারণা থেকে বাঁচতে প্রয়োজন সচেতনতা। যাচাই ছাড়া কাউকে অর্থ না দেওয়া এবং আশপাশের মানুষকেও এ বিষয়ে সতর্ক করা—এখন সময়ের দাবি।

Visited ৬ times, ১ visit(s) today


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd