
ইসরায়েল গত জুন ১৩ থেকে ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালাচ্ছে। ইরান প্রতিশোধ হিসেবে ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, তবে বেশিরভাগ ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (যেমন আয়রন ডোম) এগুলো ভেস্তে দিয়েছে ।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৪৩০ জন নিহত ও প্রায় ৩,৫০০ জন আহত ।
ইসরায়েলে মিসাইল আক্রমণে অন্তত ২৪ জন নিহত এবং শতাধিক আহত ।
২. অন্যতম বড় মিসাইল হামলা:
১৯ জুন ইরানের ‘Operation True Promise 3’ নামে যুদ্ধে ইরানিরা সেজ্জিল ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ে, যার একটি মিসাইল সরাসরি ইসরায়েলের সোরোকা হাসপাতালে আঘাত হানে, শতাধিক আহত ।
৩. ইসরায়েলের ভয়ঙ্কর গোয়েন্দা ও বিমান অভিযানের প্রভাব:
Mossad ও আইএফএফ-এর যৌথ অভিযান ইরানের ভেতর থেকে ড্রোন ও অন্তত ১০০+ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংস করেছে
৪. কূটনৈতিক লড়াই ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া:
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘ্চি বলেন, ইসরায়েলের হামলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মদদ কূটনীতিক প্রক্রিয়াকে বিভ্রাট করছে। তিনি বলেন, “যদি যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে পড়ে, তবে সবাই বিপদে” ।
তুরস্কের রাষ্ট্রপতি এরদোগান বার্তা দিয়েছেন, “ইসরায়েল পারমাণবিক আলোচনাগুলো ভাঙ্গছে” ।
ইউরোপীয় বড় দেশসমূহ (যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স) ইরানের সাথে সংবাদ বিনিময় দ্রুত শুরু করেছে; ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়া তাদের তেহরান দূতাবাসের কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছে ।
৫. সংঘাতের ফল ও মানবিক প্রভাব:
ইরানে ইন্টারনেট কিছুটা পুনরায় চালু হয়েছে, কিন্তু প্রথম দিকে ইন্টারনেট বন্ধের কারণে যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছিল ।
তেহরানে প্রবল জনদুর্ভোগের কারণে ১০০,০০০+ লোক রাজধানী ছেড়ে পাড়ি দিয়েছে ।
জেনেভায় ইউরোপীয় কূটনীতিবিদদের সাথে আলোচনার বিকল্প পথ খোঁজার প্রচেষ্টা চলছে, তবে ইরান বারবার “যুদ্ধ বন্ধ হলে কূটনীতিক প্রক্রিয়া হবে”
বলে শর্ত চাপাচ্ছে ।