
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির আহ্বানকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে একের পর এক ভয়াবহ মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (IRGC)। মঙ্গলবার সকাল থেকেই ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামলা শুরু হয়, যার লক্ষ্য ছিল সামরিক স্থাপনা, গোয়েন্দা কার্যালয় এবং গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো।
প্রথম ধাক্কা আসে তেল আবিব, জেরুজালেম ও বীরশেবা অঞ্চলে। ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে চার দফা আঘাত হানে। বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে ইসরায়েল, বাজতে থাকে সাইরেন। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হলেও অনেক মিসাইল ঠেকাতে ব্যর্থ হয়।
বেসামরিক এলাকায় হামলা, বহু হতাহত
বীরশেবা অঞ্চল, যেখানে ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও মোসাদের একটি গোপন কার্যালয় রয়েছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ভবনগুলো থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে একের পর এক মরদেহ। এখন পর্যন্ত তিনজন নিহত ও বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানাচ্ছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম।
এই হামলার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে, ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এবং ইরানের তা প্রত্যাখ্যান। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান ও ইসরায়েল নাকি তাঁর কাছে যুদ্ধবিরতির আবেদন জানিয়েছে। এর জবাবে ইরান জানায়, তারা কোনো ধরনের সমঝোতার পথে হাঁটেনি, বরং ইসরায়েল হামলা বন্ধ করলেই তারা প্রতিক্রিয়া থামাবে।
ইসরায়েলের সামরিক স্থাপনাতেও হামলা
তেল আবিব ও আশপাশের এলাকায় অবস্থিত সামরিক ইনস্টলেশনেও মিসাইল হামলা চালানো হয়। আগুন আর ধোঁয়ায় ঢেকে যায় বিভিন্ন স্থাপনা। শহরের বাসিন্দারা আবারও ছুটে যান বাঙ্কারে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য না থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে, এই হামলা বিগত দশকের মধ্যে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক।
মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা
এর আগে সোমবার রাতে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায়। এসব ঘটনার পরই ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায় আইআরজিসি। ইরান সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র আবারো দুঃসাহস দেখায়, তার প
রিণতি হবে ভয়াবহ।