
ইউক্রেনের কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা
রাশিয়ার সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় কিয়েভের একটি আবাসিক এলাকায় ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে একটি শিশুও ছিল।
একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে বিস্ফোরণ ঘটে, যা মার্কিন দূতাবাসের ১ কিমির কম দূরত্বে অবস্থিত।
একটি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশপথও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছায় অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকর্মীরা।
ইউক্রেন জানায়, তারা বেশিরভাগ রুশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।
হামলাটি চালানো হয় এমন সময়, যখন ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তুতি চলছিল এবং প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ব্রিটেন সফরে ছিলেন
২. ইরান-ইসরায়েল-মার্কিন উত্তেজনায় রাশিয়ার নীরব কৌশল
রাশিয়া ইরানের পুরোনো মিত্র হলেও এই সংঘাতে একদম নীরব দর্শকের ভূমিকায় রয়েছে।
মস্কো ইরানকে সামরিক কিংবা কূটনৈতিকভাবে প্রকাশ্যে কোনো সমর্থন দিচ্ছে না।
পুতিনের পররাষ্ট্রনীতি বাস্তববাদী ও স্বার্থভিত্তিক — হেরে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকা পক্ষকে সমর্থন করতে চান না তিনি।
রাশিয়ার সঙ্গে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় তেল-সমৃদ্ধ দেশের কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে, যা রাশিয়া নষ্ট করতে চায় না।
৩. সংঘাত থেকে রাশিয়ার সুবিধা কোথায়?
এই যুদ্ধ ইউক্রেন থেকে বিশ্বের মনোযোগ সরিয়ে দিতে পারে — যা রাশিয়ার জন্য কৌশলগতভাবে লাভজনক।
হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে তেলের দাম বৃদ্ধি পাবে, যা রাশিয়ার রপ্তানি নির্ভর অর্থনীতির জন্য ভালো।
এই সংকট ট্রাম্পের আমলে ইরান চুক্তি বাতিলের মতো যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ভুলগুলোকেও সামনে নিয়ে আসে।
৪. রাশিয়া-ইরান: মিত্র না সুবিধাবাদী সঙ্গী?
রাশিয়া-ইরান সম্পর্ককে “সুবিধাবাদী বন্ধুত্ব” বলা হয়েছে।
ইরান রাশিয়ার কাছ থেকে রক্ষা চায়, আর রাশিয়া ইরানের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে বিশ্ব মঞ্চে নিজের প্রভাব বাড়াতে চায়।
রিপোর্টটি সতর্ক করে: যদি ইরান ধরে নেয় রাশিয়া তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসবে, তবে সেটি হবে “ভয়ঙ্কর ভুল”।
—
৫. ভিডিওতে দেখানো গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ
ভ্লাদিমির পুতিন – প্রেসিডেন্ট, রাশিয়া
আলি খামেনি – সর্বোচ্চ নেতা, ইরান
বেনজামিন নেতানিয়াহু – প্রধানমন্ত্রী, ইসরায়েল
ডোনাল্ড ট্রাম্প – সাবেক প্রে
সিডেন্ট, যুক্তরাষ্ট্র
ভলোদিমির জেলেনস্কি – প্রেসিডেন্ট, ইউক্রেন