মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে! ইসরায়েলের হুঁশিয়ারি—ইরানে হামলা হবে আরও বড়, আরও বিস্তৃত! আর ঠিক সেই সময় ট্রাম্প বলছেন, যুদ্ধ থামানোর আলোচনা নাকি ভালোভাবেই এগোচ্ছে। তাহলে আসলে কী ঘটছে?
ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় শহর তেল আবিবে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের পর এর ধ্বংসাবশেষ পড়ে বিভিন্ন স্থানে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম। স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে
ইসরায়েলের তেল আবিবে ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় এই হামলার পরপরই ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর আশপাশের এলাকা ঘিরে ফেলে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঘটনাস্থলে উপস্থিত আন্তর্জাতিক
বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নতুন একটি কূটনৈতিক বার্তা সামনে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন সরাসরি সংঘাত না বাড়িয়ে, বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর মাধ্যমে ইরানকে যুদ্ধ থামানোর জন্য ‘অনুরোধ’ জানিয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রে জানা
অনলাইন কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য নতুন আয়ের সুযোগ ঘোষণা করেছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। ‘ক্রিয়েটর ফাস্ট ট্র্যাক’ নামের একটি বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারলে মাসে সর্বোচ্চ ৩ হাজার
পশ্চিম ইরানের খুজেস্তান প্রদেশের দেজফুল শহরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলা চালানো হয়েছে। শনিবার সংঘটিত এই হামলায় বিমানঘাঁটির একটি বড় অস্ত্রভাণ্ডারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। হামলার
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিয়েছেন। এ সময়সীমার মধ্যে প্রণালীটি উন্মুক্ত না হলে, ট্রাম্প সতর্ক করেছেন, ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো “নির্ধারিত লক্ষ্য”