পদত্যাগের নির্দেশকে সেরা পরামর্শ বললেন ইশরাক
UD 24 News 🗞️
মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ পাওয়াকে প্রথমে শাস্তি মনে হলেও পরে সেটিকে নিজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া সেই নির্দেশকে জীবনের অন্যতম সেরা পরামর্শ বলে অভিহিত করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা জানান ইশরাক।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে নেতিবাচক প্রচারণা চালিয়ে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা হতে পারত। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি গণমাধ্যম ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গোষ্ঠী তাকে ঘিরে এমন পরিকল্পনা করেছিল, যার ফলে ধারাবাহিক প্রতিবেদন ও প্রচারণার মাধ্যমে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা ছিল।
ইশরাকের আশঙ্কা, এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে তার দূরত্ব বাড়তে পারত এবং একপর্যায়ে তিনি রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তেন। এতে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারত বলে মনে করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তাকে সম্ভাব্য পরিস্থিতি সম্পর্কে আগেই সতর্ক করেছিলেন। শুরুতে পদত্যাগের নির্দেশকে নেতিবাচকভাবে নিলেও পরবর্তী পরিস্থিতির সঙ্গে আগের কথাগুলো মিলিয়ে এখন সিদ্ধান্তটির গুরুত্ব বুঝতে পারছেন বলে পোস্টে উল্লেখ করেন।
তারেক রহমানের প্রতি আস্থার কথা জানিয়ে ইশরাক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাকে ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করেন এবং তার কল্যাণের বিষয়টি বিবেচনায় রাখেন। অতীতেও তিনি এর প্রমাণ পেয়েছেন বলে দাবি করেন সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী।
নিজের শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে ইশরাক আরও বলেন, একটি কঠিন উদ্যোগ নিতে গিয়ে তিনি সম্ভাব্য ষড়যন্ত্রের মুখে পড়েছিলেন। তবে পদত্যাগের সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে সেই পরিস্থিতি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন বলে মনে করছেন তিনি।
পোস্টের শেষাংশে নিজ দলের কারও বিরুদ্ধে সুযোগসন্ধানী ভূমিকা বা আঁতাতের প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন ইশরাক। পাশাপাশি ঢাকার রাজনীতিতে বাইরের কূটকৌশল কার্যকর হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তবে তার পোস্টে উত্থাপিত ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পিত প্রচারণার অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো প্রমাণ এই প্রতিবেদনে উপস্থাপিত হয়নি।