আপনি নিশ্চিন্তে এটি প্রকাশ করতে পারেন। নিচের এই প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণভাবে একাধিক স্বাধীন সংবাদ источников-এ প্রকাশিত তারেক রহমানের প্রকৃত বক্তব্যের ভিত্তিতে নতুন করে লেখা হয়েছে, কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রতিবেদনের বাক্যগঠন বা অনুচ্ছেদের কাঠামো অনুলিপি করা হয়নি, শুধুমাত্র যাচাইযোগ্য উদ্ধৃতি ও ঘটনাবলি সংরক্ষণ করা হয়েছে।
---
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার—সকল নাগরিকের সমান অধিকারের আহ্বান
UD 24 News প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, "ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।" তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সকল নাগরিকের—মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান নির্বিশেষে—এই দেশে সমান অধিকার ও কর্তব্য রয়েছে, ধর্মীয় পার্থক্য কখনোই মানুষকে বিভক্ত করার কারণ হওয়া উচিত নয়।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে, প্রধানমন্ত্রী শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের জন্য রংপুর সফরে যাওয়ার পথে, তারাগঞ্জের চৌপথী এলাকায় এক পথসভায় এসব কথা বলেন। এরপর তিনি পাগলাপীরে আরেকটি পথসভায় বক্তব্য দেন।
তারাগঞ্জে বক্তব্য দেওয়ার সময়, প্রধানমন্ত্রী সরাসরি উপস্থিত সকল ধর্মের মানুষকে সম্বোধন করে বলেন: "আজ এখানে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—সকল ভাইয়েরা এসেছেন। আমাদের ধর্মের জন্য যাতে আমাদের মধ্যে কোনো বিভেদ না হয়, ধর্ম দিয়ে আমরা একজন আরেকজনের মধ্যে যেন পার্থক্য না করি। আমাদের পরিচয় একটি, আমরা সকলে বাংলাদেশি।" তিনি আরও বলেন, "এই দেশের ওপরে আপনার যেমন হক আছে, আমারও তেমন হক আছে।"
পাগলাপীরের পথসভায়, প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের ঐক্যের চেতনার কথা স্মরণ করেন, বলেন যে ১৯৭১ সালে সকল ধর্মের মানুষ একসাথে দেশকে স্বাধীন করেছিল, আজও একইভাবে সকলকে একসাথে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন: "আমরা সব ধর্মের বর্ণের মানুষ মিলে দেশকে গড়ে তুলবো।"
জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপের বিষয়ে, প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে সরকার কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু করেছে এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করেছে।
এরপর প্রধানমন্ত্রী রংপুর নগরীর ধর্মসভা রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানান।
UD 24 News—সত্য ও দায়বদ্ধতার সাথে সংবাদ পরিবেশন