• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশকে আরও ৬০ দিনের ছাড় ট্রাম্পের দাবি: হরমুজ প্রণালী “সম্পূর্ণভাবে খোলা”—বিশ্ববাজারে বড় প্রভাব ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাড়াতে অনাগ্রহ ট্রাম্প, স্থায়ী চুক্তিতেই জোর ৭৭ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে তিন জাহাজের আগমন যুক্তরাষ্ট্র–ইরান নতুন আলোচনার ইঙ্গিত, দুই দিনের মধ্যেই অগ্রগতি? পুতিনের নতুন প্রস্তাব, ইরানকে শান্তি আলোচনায় আহ্বান একের পর এক অস্ত্র পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার: কী ইঙ্গিত দিচ্ছে পিয়ংইয়ং? ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতা: পাকিস্তানে যাচ্ছে প্রতিনিধি দল, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সামনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি: কিভাবে হলো এই সমঝোতা? বিস্তারিত রিপোর্ট নরসিংদীতে মাদরাসা ছাত্র নির্যাতন: শিক্ষক আটক, ঘটনায় চাঞ্চল্য

এনআইডি কার্ডে বয়স সংশোধনের ঢল: হঠাৎ বেড়ে গেল আবেদন, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

Dawan Rony
Update : সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

Spread the love

সম্প্রতি এতো বেশি মানুষ NID-তে “বয়স সংশোধন” চেয়ে আবেদন করছে, যে ভৌগোলিকভাবে scattered (উপজেলা/থানা/জেলার) অফিসগুলোতে আবেদন প্রক্রিয়া চালানো “ঝুঁকিপূর্ণ, ভুল বা অপব্যবহারের সুযোগ তৈরির” সম্ভাবনা তৈরি করছে।

 

তাই, ইসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, বয়স সংশোধনের মতো “স্পর্শকাতর তথ্য পরিবর্তন” এখন থেকে মাঠ (উপজেলা/থানা/জেলা) অফিস নয় — বরং কেবল কেন্দ্রীয় প্রধান কার্যালয় থেকে করা হবে।

 

এর পাশাপাশি, গত চুক্তিপত্র অনুযায়ী, যেকোনো NID সংশোধন আবেদনকে সর্বোচ্চ ৪৫ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার নির্দেশ ইসি দিয়েছে।

 

 

 

 

🗣️ সরকারের বক্তব্য — কেন এমন কঠোর পদক্ষেপ

 

ইসির একজন কমিশনার (উচ্চ কর্মকর্তা) বলেছেন — যদি আবেদনকারীর পরিবর্তনের চাওয়া “সৎ উদ্দেশ্য” দেখায়, তাহলে সংশোধন দ্রুত ও সহজেই করা হবে। তবে, যারা “চাকরি বা অন্য সুবিধার জন্য” অবৈধভাবে বয়স কমাতে বা বাড়াতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে “জাতীয় তথ্য-ভেজাল/হররকেশন ঠেকাতে” প্রশাসন কঠোর থাকবে।

 

ইসি পাশাপাশি জানাচ্ছে যে, অনেক আবেদন এসেছে — শুধু ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসেই প্রায় ৯ লক্ষ আবেদন প্রক্রিয়া করেছে তারা; এবং আরও অনেক আবেদন এখনো পর্যালোচনায় আছে।

 

তবে সাম্প্রতিক ভোটার তালিকা (voter list) চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ার কারণে, ইসি আরও কিছু ধরণের সংশোধন (যেমন — জন্ম তারিখ, ঠিকানা, ভোটার তথ্য) আপাতত “স্থগিত” করেছে। অর্থাৎ, পুরোপুরি সংশোধন চালু রাখছেন না।

 

 

 

 

📌 কেন এই পদক্ষেপ — পেছনের সমস্যাগুলো

 

একটি বড় সমস্যা হলো — অনেক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে “অনেক অনলাইন জন্মনিবন্ধন (birth registration) সনদ” রয়েছে, অর্থাৎ এক ব্যক্তির নাম বা বয়স একাধিক সনদে ভিন্ন হতে পারে। এতে NID–র ডাটাবেজে অসঙ্গতি হতে পারে, বা কেউ অনৈতিক ভাবে বয়স পরিবর্তন করতে পারে।

 

আরেকটি উদ্বেগ: যদি বয়স সংশোধন মাঠ অফিস থেকেই করা যায়, তাহলে যাচাই-প্রক্রিয়াতে গাফিলতি, তথ্য বিকৃতি বা ফ্রড (জাল তথ্য) প্রবেশের সুযোগ বাড়ে। তাই, কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা করাই নিরাপদ বলে মনে করছে ইসি।

 

 

 

 

📰 সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট — সংবাদ ও জনগণের প্রতিক্রিয়া

 

সম্প্রতি এক সংবাদ অনুসারে, গত ৪ মাসে প্রায় ৫ লাখ আবেদন এসেছে NID সংশোধনের জন্য — এবং অনেক আবেদন পুরনো-থেকে ঝুলে আছে, বিশেষত “বয়স সংশোধন” বিভাগে।

 

অন্যদিকে, অনেক সাধারণ মানুষ (অনলাইনে ও মিডিয়ায়) — দাবি করেছেন-age-correction-ভিড়, অফিসে ভোগান্তি, পুরনো আবেদন দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ থাকা ইত্যাদি নিয়ে — যে NID সংশোধন প্রক্রিয়া পুরনো

নিয়মে থাকলে হয়তো সমস্যাগুলি কম হতো।

 

Visited ২৯ times, ১ visit(s) today


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd