• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান নতুন আলোচনার ইঙ্গিত, দুই দিনের মধ্যেই অগ্রগতি? পুতিনের নতুন প্রস্তাব, ইরানকে শান্তি আলোচনায় আহ্বান একের পর এক অস্ত্র পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার: কী ইঙ্গিত দিচ্ছে পিয়ংইয়ং? ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতা: পাকিস্তানে যাচ্ছে প্রতিনিধি দল, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সামনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি: কিভাবে হলো এই সমঝোতা? বিস্তারিত রিপোর্ট নরসিংদীতে মাদরাসা ছাত্র নির্যাতন: শিক্ষক আটক, ঘটনায় চাঞ্চল্য রিপোর্ট: ভাইরাল “তাজু ভাই ২.০” ফেসবুক পেজ উধাও — কী ঘটেছে আসলে? 🌩️ ঢাকাসহ ১৬ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস “বিপুলসংখ্যক মানুষকে কে রাজধানী ছাড়তে হতে পারে? বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কবার্তা” খাবার-ওষুধ ছাড়া সব দোকান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ

Dawan Rony
Update : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

Spread the love

ঢাকা, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস–এর সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রাজধানীর তেজগাঁওস্থ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রাক্কালে সেনাপ্রধান এই বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে তারা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন।

সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রশাসনকে সহায়তার জন্য তিনি সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দেশের স্থিতিশীলতা ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে সেনাপ্রধান তার দায়িত্ব পালনকালে সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতেও দেশের স্বার্থে সেনাবাহিনী পেশাদার ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি প্রধান উপদেষ্টার সার্বিক দিকনির্দেশনার জন্য ধন্যবাদ জানান।

বৈঠকটি ছিল সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত একটি আনুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এ ধরনের বিদায়ী সাক্ষাৎ পারস্পরিক সম্মান ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্কের অংশ হিসেবেই বিবেচিত হয়।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন প্রশাসনিক অধ্যায়ের সূচনার আগে এই সাক্ষাৎকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

সর্বশেষ আপডেট পেতে এখনই আমাদের ওয়েবসাইটে

✅ সাবস্ক্রাইব করুন

✅ নোটিফিকেশন চালু রাখুন

✅ নিয়মিত ভিজিট করুন

 

Visited ৮ times, ১ visit(s) today


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd