• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশকে আরও ৬০ দিনের ছাড় ট্রাম্পের দাবি: হরমুজ প্রণালী “সম্পূর্ণভাবে খোলা”—বিশ্ববাজারে বড় প্রভাব ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাড়াতে অনাগ্রহ ট্রাম্প, স্থায়ী চুক্তিতেই জোর ৭৭ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে তিন জাহাজের আগমন যুক্তরাষ্ট্র–ইরান নতুন আলোচনার ইঙ্গিত, দুই দিনের মধ্যেই অগ্রগতি? পুতিনের নতুন প্রস্তাব, ইরানকে শান্তি আলোচনায় আহ্বান একের পর এক অস্ত্র পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার: কী ইঙ্গিত দিচ্ছে পিয়ংইয়ং? ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতা: পাকিস্তানে যাচ্ছে প্রতিনিধি দল, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সামনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি: কিভাবে হলো এই সমঝোতা? বিস্তারিত রিপোর্ট নরসিংদীতে মাদরাসা ছাত্র নির্যাতন: শিক্ষক আটক, ঘটনায় চাঞ্চল্য

প্রস্তাবিত রিমিক্স শিরোনাম: “জুলাই সনদ: জাতীয় ঐকমত্যের পথে প্রধান উপদেষ্টার অঙ্গীকার”

Sk Dawan
Update : সোমবার, ২ জুন, ২০২৫

Spread the love

📄 বিস্তারিত সংবাদ প্রতিবেদন:

ঢাকা, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫:

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রথম সংলাপে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষণা করেছেন যে, সংস্কারের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে একটি সনদ তৈরি করা হবে, যা ‘জুলাই সনদ’ নামে পরিচিত হবে। এই সনদটি দেশের ভবিষ্যৎ সংস্কার ও উন্নয়নের রূপরেখা নির্ধারণ করবে।

ড. ইউনূস বলেন, “সংস্কারটা গভীরভাবে হতে হবে। আপনারা (রাজনৈতিক দল) বলবেন- আমাদের প্রস্তাবে আপনারা একমত, অথবা কোন প্রস্তাবের সংশোধনী চান বা কোন কোন প্রস্তাবে একমত হলেন না, যাতে করে একটা জুলাই সনদ তৈরি করা যায়। সবাই মিলে একমত হয়ে গেলে বাস্তবায়নের পথ বের হয়ে যাবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “জুলাই সনদ তৈরি করা ছাড়া আমাদের মুক্তি নেই। সংলাপের মাধ্যমে বের হয়ে আসবে প্রস্তাবের পেছনে এতগুলো দল একমত। পরে সনদ যখন হয়ে যাবে তখন সেটা প্রকাশ করা হবে। যাতে মানুষ জানতে পারে কোন রাজনৈতিক দল কতগুলো প্রস্তাবে একমত হয়েছে। এই সনদকে আমরা জাদুঘরে সংরক্ষণ করবো।”

প্রধান উপদেষ্টা জানান, ঐকমত্য কমিশনের অফিসে একাধিক টেলিফোন সংযোগ থাকবে, যাতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা যায়। তিনি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কতগুলো প্রস্তাবে আমরা সবাই রাজি আছি সেটা ঠিক করা। আমরা আপনাদের মতামতগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে চাই। আমাদের এটা করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “সংস্কারের বিষয়ে একমত না হলে আমাদের মুক্তি নেই। সারাদেশের মানুষ বলবে- তোমরা সনদে সই করলে না, সংস্কার করলে না- আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে গেলে। সংস্কার প্রতিদিনের অনুভব করার বিষয়। এটা আসমান থেকে আসা কোনকিছু না। এটা প্রতিদিন অনুভব করছি। সেই জায়গা থেকে আপনারা আপনাদের মতামত জানান।”

এই সংলাপের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি ঐকমত্য গড়ে তোলা হবে, যা জুলাই সনদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। এই সনদটি দেশের ভবিষ্যৎ সংস্কার ও উন্নয়নের পথনির্দেশিকা হিসে

বে কাজ করবে।

 

<small>ছবি: Muhammad Yunus Congressional Gold Medal, © Wikimedia Commons, CC BY 2.0</small>

 

Visited ১৭ times, ১ visit(s) today


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd