• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান নতুন আলোচনার ইঙ্গিত, দুই দিনের মধ্যেই অগ্রগতি? পুতিনের নতুন প্রস্তাব, ইরানকে শান্তি আলোচনায় আহ্বান একের পর এক অস্ত্র পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার: কী ইঙ্গিত দিচ্ছে পিয়ংইয়ং? ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতা: পাকিস্তানে যাচ্ছে প্রতিনিধি দল, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সামনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি: কিভাবে হলো এই সমঝোতা? বিস্তারিত রিপোর্ট নরসিংদীতে মাদরাসা ছাত্র নির্যাতন: শিক্ষক আটক, ঘটনায় চাঞ্চল্য রিপোর্ট: ভাইরাল “তাজু ভাই ২.০” ফেসবুক পেজ উধাও — কী ঘটেছে আসলে? 🌩️ ঢাকাসহ ১৬ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস “বিপুলসংখ্যক মানুষকে কে রাজধানী ছাড়তে হতে পারে? বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কবার্তা” খাবার-ওষুধ ছাড়া সব দোকান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ

বাবরি মসজিদ নির্মাণে এক ব্যক্তির ৮০ কোটি টাকার দান: ভারতে নতুন বিতর্কের জন্ম

Dawan Rony
Update : রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

Spread the love

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ পুনর্নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে। অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়, একজন ব্যক্তি একাই মসজিদ নির্মাণের জন্য ৮০ কোটি টাকা (ভারতীয় রুপিতে ৮০ কোটি) দান করবেন। যদিও দাতার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি, আয়োজকদের দাবি—আগামী এক মাসের মধ্যেই দানটি পৌঁছে যাবে।

 

আয়োজকরা আরও জানান, এই প্রকল্প সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে করা হবে, এবং এতে কোনো সরকারি তহবিল, সরকারি সহায়তা বা রাজনৈতিক অর্থ গ্রহণ করা হবে না। পরিকল্পনা অনুযায়ী শুধু মসজিদই নয়, এর সঙ্গে থাকবে একটি হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মুসাফিরখানা ও জনসেবামূলক বেশ কয়েকটি স্থাপনা।

 

তবে এই ঘোষণা ঘিরে ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, ‘বাবরি মসজিদ’ নাম ব্যবহার করাই নিজে একটি সংবেদনশীল বিষয় এবং এটি রাজনৈতিকভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। কিছু ধর্মীয় নেতা ও সংগঠনও এ বিষয়ে সতর্ক করে বলেছেন—এ ধরনের উদ্যোগ যেন কোনোভাবেই ধর্মীয় বিভাজন বা উস্কানিমূলক পরিস্থিতি তৈরি না করে।

 

উল্লেখ্য, ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ১৯৯২ সালে ধ্বংসের পর থেকে ভারতজুড়ে এটি একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ইস্যু। তাই মুর্শিদাবাদে নতুন করে ‘বাবরি মসজিদ’ নামে স্থাপনা গড়ে তোলার উদ্যোগ ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দাতার পরিচয় গোপন থাকা এবং অর্থ এখনো বাস্তবে জমা না হওয়ায় প্রকল্পটি বর্তমানে প্রতিশ্রুতি পর্যায়ে রয়েছে।

 

স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে বলে জানা গেছে। আয়োজকরা অবশ্য জোর দিয়ে বলেছেন—এই নির্মাণ কোনো আইনবিরুদ্ধ নয় এবং সব ধরনের কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন অনুসরণ করেই কাজ শুরু হবে।

Visited ১০ times, ১ visit(s) today


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd