
বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম গাজা উপত্যকায় পৌঁছানোর উদ্যোগে মিডিয়া ফ্লোটিলা / ফ্লোটিলা কোয়ালিশন অভিযানেও জড়িয়েছেন। অনেকেই জানতে চাচ্ছেন—তিনি এখন কোথায়, এবং গাজা পৌঁছাতে সময় লাগবে কত—সেসব প্রশ্নের জবাব নিজেই দিয়েছেন তিনি। নিচে তার কথাগুলো ও বর্তমান তথ্য তুলে ধরা হলো।
—
এখন কোথায় আছেন শহিদুল আলম?
শহিদুল আলম বর্তমানে “কনশানস” (Conshans) নামক একটি জাহাজে রয়েছেন, যা গাজার উদ্দেশ্যে সমুদ্র পথে চলমান।
তিনি জানিয়েছেন, তাদের জাহাজ গাজার থেকে প্রায় ৩৭০ নটিক্যাল মাইল (প্রায় ৬৮৫ কিলোমিটার) দূরে অবস্থা রয়েছে।
তবে, যেহেতু তাদের সঙ্গে আরও কিছু ছোট নৌযান রয়েছে, এবং সেসবকে বাদ না দিয়ে এগোতে চাইছেন, তাই সময় একটু বাড়তে পারে।
তিনি আরও বলেছেন, তাঁদের নৌবহর ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ থেকে কিছুটা আলাদাভাবে এগোচ্ছে, এবং গতকালের সময়ে অন্য জাহাজগুলোকে অতিক্রম করেছে।
আবহাওয়া ও সমুদ্রের অবস্থাও তাদের গতিবিহীনতা বা গতি পরিবর্তন করতে পারে, কারণ “আবহাওয়া সারাক্ষণ বদলাচ্ছে” বলে জানান তিনি।
—
গাজায় পৌঁছাতে সময় লাগবে কত?
শহিদুল আলমের দেয়া তথ্য অনুযায়ী:
৩৭০ নটিক্যাল মাইল (~ ৬৮৫ কিলোমিটার) যাত্রা রয়ে গেছে।
যদি যাত্রা গতি স্বাভাবিক থাকে এবং কোনো বড় বাধা না ঘটে, তাহলে এক দিনের মধ্যে গাজায় পৌঁছানো সম্ভব হবে বলেও তিনি আশা করছেন।
তবে, যেহেতু তাদের সঙ্গে ছোট নৌকা সংযুক্ত রয়েছে এবং তাদের বিরতিতে বা গতিসঙ্কটে সময় নষ্ট হতে পারে, তাই সময় আরও বাড়তে পারে।
তিনি বলেছে, “আমাদের হয়তো আরেকটু সময় লাগবে।”
—
চ্যালেঞ্জ ও অনিশ্চয়তা
জাহাজগুলোর গতিসময়, আবহাওয়া পরিবর্তন, সমুদ্র অবস্থার পরিবর্তন — সবই একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
ইসরায়েলি নজরদারি বা সমুদ্র অবরোধের পরিস্থিতি— এমনকি যুদ্ধ পরিস্থিতি—এই ধরনের অভিযানকে বিপজ্জনক করে তুলতে পারে।
অন্যান্য নৌযানগুলোর সমন্বয়, ত্রুটিমুক্ত যোগাযোগ, নিরাপত্তা—all এগুলো সময়কে প্রভাবিত করবে।
শহিদুল আলম বর্তমানে কনশানস নামক জাহাজে আছেন, এবং গাজা পৌঁছাতে প্রাক্কলিত সময়ে এক দিনের মতো সম্ভাবনা রয়েছে। তবে প্রচুর অনিশ্চয়তা রয়েছে — আবহাওয়া, সমুদ্র অবস্থা, নৌবাহিনীর প্রতিক্রিয়া, অন্যান্য
নৌযানগুলোর সমন্বয়—এগুলো সবই সময়কে বাড়িয়ে দিতে পারে।