
শহীদুল আলম দেশে ফিরলেন — মানুষের ভালোবাসাই আমাকে ফিরিয়েছে; গাজা এখনও মুক্ত নয়, সংগ্রাম চলবে”
ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ইস্তাম্বুল ঢাকায় ফেরেন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহীদুল আলম; বিমানবন্দরে পরিবার, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের তৃপ্ত
—
সংবাদবিষয়ক সারসংক্ষেপ
বাংলাদেশের সুপরিচিত আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহীদুল আলম শুক্রবার (ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের կողմից মুক্তির পরে) ইস্তাম্বুল থেকে ঢাকায় পৌঁছেছেন। তিনি আজ ভোর ৪:৪৫ (প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন; সেখানে পরিবার, সহকর্মী এবং ড্রিক ও পাঠশালার প্রতিনিধিরা তাকে স্বাগত জানান।
—
বিস্তারিত খবর
ঢাকা, ১১ অক্টোবর ২০২৫ — ইসরায়েলে কিছুদিনের আটক ও পরে মুক্তির পর দেশে ফিরেই শহীদুল আলম তার ধন্যবাদ ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা বিষয়ে কথা বলেছেন। বিমানবন্দরে পৌঁছে তিনি জানান, “বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা আমাকে ফিরে আসার সুযোগ দিয়েছে,” এবং সতর্ক করে বলেন, “গাজার মানুষ এখনো মুক্ত হয়নি; তাদের ওপর নির্যাতন চলছে—আমাদের কাজ শেষ হয়নি।”
বিমানবন্দর সারলকরণে তার পরিবার, ড্রিক (Drik) ও পাঠশালার সহকর্মী এবং শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদমাধ্যমকে তিনি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং বিশেষভাবে তুরস্কের সহায়তাকেও স্মরণ করেছেন, যেটি তার মুক্তিতে ভূমিকা রেখেছিল বলেই বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
শহীদুল আলমের একাংশ বক্তব্য থেকে মূল পয়েন্টগুলো:
“লোকালয়ের ভালোবাসা”— দেশে ফিরতে যে সমর্থন পাওয়া গেছে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা।
“গাজা এখনও মুক্ত নয়”—তিনি গাজার পরিস্থিতির প্রতি পুনরায় দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং মানবিক সহায়তা ও আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
“সংগ্রাম চলবে”—ফিলিস্তিন মুক্তি আন্দোলনে আরো পদক্ষেপ দরকার, এমনকি আরো প্রচেষ্টা/ফ্লোটিলার প্রয়োজন হবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন।
—
পটভূমি (সংক্ষেপে)
শহীদুল আলম গাজা-অভিমুখী হিউম্যানিটারিয়ান ফ্লোটিলায় অংশগ্রহণের সময় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হন। এ ঘটনায় বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক উদ্যোগ ও সমর্থন কাজ করেছে; কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং সমর্থকরা তার মুক্তির জন্য চাপ জানিয়েছিলেন। পরে তাকে মুক্ত করা হয় এবং তুরস্ক হয়ে দেশে ফেরানো হয়—এই পুরো ঘটনার ক্রমধারা আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।
—
সরকারি ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া
সরকারি প্রতিনিধিরা মিডিয়ার কাছে কয়েকটি বক্তব্য দিয়েছেন এবং কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি সমাধানে কাজ চালানোর কথা জানায়। (বিভিন্ন প্রতিবেদনে সরকারি পদক্ষেপের উল্লেখ আছে)।
নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক দলের প্রতিক্রিয়া: ভিন্ন-ভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সংগঠন শহীদুল আলমকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এবং তার মুক্তি ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।