• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান নতুন আলোচনার ইঙ্গিত, দুই দিনের মধ্যেই অগ্রগতি? পুতিনের নতুন প্রস্তাব, ইরানকে শান্তি আলোচনায় আহ্বান একের পর এক অস্ত্র পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার: কী ইঙ্গিত দিচ্ছে পিয়ংইয়ং? ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতা: পাকিস্তানে যাচ্ছে প্রতিনিধি দল, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সামনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি: কিভাবে হলো এই সমঝোতা? বিস্তারিত রিপোর্ট নরসিংদীতে মাদরাসা ছাত্র নির্যাতন: শিক্ষক আটক, ঘটনায় চাঞ্চল্য রিপোর্ট: ভাইরাল “তাজু ভাই ২.০” ফেসবুক পেজ উধাও — কী ঘটেছে আসলে? 🌩️ ঢাকাসহ ১৬ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস “বিপুলসংখ্যক মানুষকে কে রাজধানী ছাড়তে হতে পারে? বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কবার্তা” খাবার-ওষুধ ছাড়া সব দোকান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ

১৯ জুলাই ঐতিহাসিক জাতীয় সমাবেশ সফল করতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পরিদর্শন করলেন জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ

Sk Dawan
Update : সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫

Spread the love

সমাবেশ মাঠ পরিদর্শনের পর জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের জরুরি বক্তব্য | UD 24 News

আলহামদুলিল্লাহ্‌। আপনারা জানেন যে আগামী ১৯শে জুলাই, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জাতীয় সমাবেশ করতে যাচ্ছে। এবং এই উপলক্ষে আমরা এখানে এসেছি। জাতীয় সমাবেশের স্থান হিসেবে আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকেই নির্ধারণ করেছি। ১৯শে জুলাই বেলা ২টার সময় ঐতিহাসিক জাতীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।

এই সম্পর্কিত খোঁজখবর নেওয়ার জন্যে, বিশেষ করে মাঠ, মাঠে আমাদের স্টেজ সহ যাবতীয় প্রস্তুতিটা কি হচ্ছে, কিভাবে আমরা নেব এই সমস্ত বিষয় আমরা নিজেরা বসেছি, মিটিং করেছি। আজকে আমরা সরেজমিনে এসেছি। আপনাদেরকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে, আপনারা কষ্ট করে এখানে এসেছেন।

তো এ ব্যাপারে আমাদের সম্মানিত সেক্রেটারি জেনারেল এখানে আছেন, তিনি কথা বলবেন। এছাড়াও আলহামদুলিল্লাহ্‌ আমাদের এখানে উপস্থিত আছেন আমাদের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম সাহেব, অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, আমাদের কেন্দ্রীয় মিডিয়া এবং প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সংগ্রামী আমির, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ নির্বাহী পরিষদের সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল সহ আমাদের সেক্রেটারি জেনারেল, ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ডক্টর রেজাউল করিম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সংগ্রামী সেক্রেটারি জেনারেল আমাদের প্রিয় ভাই নুরুল ইসলাম সাদ্দাম সহ আরো অনেক নেতৃবৃন্দ আছেন। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন সামনে।

তো আমি এ পর্যায়ে আমাদের সম্মানিত সেক্রেটারি জেনারেলকে এই বিষয়ে আপনাদের সামনে কথা বলার জন্য অনুরোধ করছি।

(দ্বিতীয় বক্তা – মিয়া গোলাম পরওয়ার)

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। আসসালাতু আসসালামু আলা সাইয়্যিদিল মুরসালিন ওয়ালা আলিহি ওয়া আসহাবিহি আজমাইন।

সম্মানিত সাংবাদিক বন্ধুগণ, প্রিয় দেশবাসী, আমরা মহান আল্লাহ তা’আলার শুকরিয়া আদায় করে আজকে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আগামী ১৯শে জুলাই যে জাতীয় সমাবেশের যে উদ্যোগ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে, তার প্রস্তুতি, মাঠের অবস্থা, মঞ্চ, আমাদের নিরাপত্তা, আমাদের পানি, স্যানিটেশন, মেডিকেল নানান বিভাগের লোকেশন এবং বিভিন্ন প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণের জন্য আমরা নেতৃবৃন্দ এখানে পরিদর্শনে এসেছিলাম এবং আমরা যে ঐতিহাসিক এই জাতীয় সমাবেশের আয়োজন করতে পেরেছি, আমরা সেই মাঠ পরিদর্শনের প্রথম দিনে প্রাথমিক কার্যক্রমগুলো একটু পরিদর্শন করতে পারলাম, সেজন্য আমরা মহান আল্লাহর কাছে প্রথমেই আবারো আপনাদের সকলকে নিয়ে শোকর আদায় করছি, আলহামদুলিল্লাহ।

আপনারা ইতোমধ্যে জেনেছেন, তবুও আমি আরেকবার বলি, আমাদের এই টিমের মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে আমাদের সাথে উপস্থিত আছেন আমাদের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, নির্বাহী পরিষদের সদস্য আমাদের মিডিয়া প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ অ্যাডভোকেট, আমাদের মাঝে আছেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির, জননেতা নুরুল ইসলাম বুলবুল আছেন, উত্তরের সেক্রেটারি, কর্মপরিষদ সদস্য ডক্টর রেজাউল করিম আছেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সংগ্রামী সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম আমাদের পাশে আছেন। আমাদের শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান আছেন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি সহ অনেক নেতৃবৃন্দ এখানে উপস্থিত আছেন। ইসলামী ছাত্রশিবির এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের অনেক নেতৃবৃন্দ আছেন। আমরা সবার সময়ের কারণে নামটা আর বলার প্রয়োজন মনে করছি না।

আমরা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছি। খুব সংক্ষেপে, এই ঐতিহাসিক জাতীয় সমাবেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে আজকে একটু আমরা আপনাদেরকে ধারণা দিচ্ছি। ইনশাআল্লাহ আমাদের তো আরও দুই একবার এই মাঠ পরিদর্শনের প্রস্তুতির কাজ চলবে আর আমরাও ইনশাআল্লাহ আসব।

আজকে এই জাতীয় মহাসমাবেশের মূল যে সৌন্দর্য এবং প্রয়োজন হচ্ছে আমাদের মঞ্চ, স্টেজ। সেই স্টেজের জায়গাটা আমরা আজকে নির্ধারণ করেছি। ১০০ ফিট বাই ৩৬ ফিট পরিমাপের একটা বিশাল মঞ্চ অত্যাধুনিক এবং যাবতীয় সুব্যবস্থা সহকারে সামনে-পিছে এলইডি, বক্তার যে লেকচার স্ট্যান্ডের আলাদা সেপারেট অ্যারেঞ্জমেন্ট, আশেপাশে মেহমানদের জন্য অন্যান্য সুবিধা সহ সব ব্যবস্থা ইনশাআল্লাহ এখানে থাকবে। ওযুর ব্যবস্থা থাকবে, টয়লেট, তারপরে এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের চারিদিকে যে ব্যবস্থাটুকু আছে সেটাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের যারা সারা দেশ থেকে এবং ঢাকা মহানগরীর লক্ষ লক্ষ মানুষ এখানে আসবেন, তাদের নামাজ, তাদের ওযু, তাদের অন্যান্য প্রয়োজন কিভাবে পূরণ করা যায়, আমরা সেসব পরিকল্পনা নিয়েছি এবং আজকে কিছু ব্যবস্থা আমরা দেখলাম। আমাদের মেডিকেল বিভাগও থাকবে।

তো আমরা দেশবাসীর কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞতার সাথে, আমাদের প্রস্তুতি যে সুষ্ঠু সুন্দরভাবে হচ্ছে, আমাদের বাস্তবায়ন কমিটি এটা নিয়ে দফায় দফায় বসছে। রাজধানী ঢাকা, পার্শ্ববর্তী জেলা এবং সারাদেশের জেলাগুলোর প্রতিনিধি হিসেবে অনেকেই এই জাতীয় সমাবেশে যোগদান করবেন। তাদের আসবার, চতুর্দিক থেকে গেট দিয়ে ঢুকবার, বসবার, শোনবার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা, সিকিউরিটির ব্যবস্থা, আমাদের কয়েক হাজার কর্মী বাহিনী বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের দায়িত্বে ইনশাআল্লাহ নিয়োজিত থাকবে। তারা তাদের জন্য সে সুব্যবস্থা ইনশাল্লাহ করবে।

আমরা গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক বন্ধুদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই। আমাদের এই ১৯শে জুলাইয়ের জাতীয় সমাবেশের প্রস্তুতির শুরু থেকেই দেশের জাতীয় গণমাধ্যমগুলো, ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্ট, সব মিডিয়াতে তারা সাধ্যমত এর প্রচারণা শুরু করেছেন। আমরা দেশবাসীকে চারিদিক থেকে ১৯শে জুলাই ‘ঢাকা চলো’ এই আওয়াজ তুলে এই জাতীয় মহাসমাবেশ সফল করার জন্য রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমবেত হওয়ার জন্য আজকে এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকেই আমি দেশবাসীর কাছে উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের গণমাধ্যমের মাধ্যমে। আশা করি সময়ে সময়ে আমাদের এই কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে আমাদের এই জনসভার যে মূল উদ্দেশ্য, একটি অবাধ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের উদ্দেশ্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, নির্বাচনের পূর্বে প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষ করা, মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারকে দৃশ্যমান করা, পিআর পদ্ধতিতে আমাদের জাতীয় নির্বাচনের যে দাবি উঠেছে সর্বমহল থেকে, সেটা মেনে নেওয়া, জুলাই অভ্যুত্থানকে নিয়ে যে জুলাই ডিক্লারেশন, যে জুলাই সনদ, সেটা ঘোষণা এবং বাস্তবায়নের জন্য আমরা জুলাই বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী এই জুলাই মাসের মধ্যেই সেটা সরকারকে বাস্তবায়ন ঘোষণার দাবি করেছি। সেই দাবি এই ময়দানের জনসভা থেকে উত্থিত হবে। আমরা জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনের দাবি আমরা করেছি। আমরা আরও অনেক গণদাবিতে এই জনসভায় জাতীয় নেতৃবৃন্দ সেই দাবি তুলে ধরবেন। সে সুযোগ আমরা ইনশাআল্লাহ এখানে করে দেব। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, দেশপ্রেমিক ইসলামী সংগঠন, অন্যান্য রাজনৈতিক দল, সুধী সমাজ, সুশীল সমাজ, সব শ্রেণি-পেশার ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে আমরা আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ ১৯শে জুলাই আমরা এই ঐতিহাসিক জাতীয় সমাবেশে আগামী দিনে আমাদের জুলাই অভ্যুত্থানের গণআকাঙ্ক্ষা ধারণ করে নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য যে অবাধ নির্বাচন, সেই পরিবেশ যেন নিরপেক্ষভাবে হয়, সরকার, নির্বাচন কমিশন, সমস্ত প্রশাসন যেন নিরপেক্ষভাবে মানুষের সকল সংশয়কে দূর করে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কোনো দিকে না ঝুঁকে, সবার ক্ষেত্রে সমতার ভিত্তিতে যে গণদাবি উঠেছে, এটা যেন নিশ্চিত করতে পারেন, এই লক্ষ্যে এই জনসভা সফল করার জন্য দেশবাসীর কাছে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি। সরকারকেও এই জনসভা সফল করার জন্য তাদেরও প্রশাসনের সমস্ত বিভাগের, সরকারের সমস্ত পর্যায়ের যারা কর্তৃপক্ষ আছেন, পূর্ত মন্ত্রণালয় আছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আছেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সাথে রিলেটেড যে সমস্ত কাজ এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভা বাস্তবায়নে আমাদের সহযোগিতা প্রয়োজন, আশা করি সরকার আমাদের এই জনসভা বাস্তবায়নে সেই সহযোগিতার হাত তারা সম্প্রসারিত করবেন। আমরা কৃতজ্ঞ, সরকার আমাদের এই ময়দানের অনুমতি ইতোমধ্যে দিয়েছেন এবং মিডিয়া গণমাধ্যমের সহযোগিতা আমরা বেশি করে চাই। আপনারা আমাদের সঙ্গে আছেন, আমরাও আপনাদের সঙ্গে আছি। আশা করি ১৯শে জুলাইয়ের এই কর্মসূচির বাস্তবায়নের জন্য প্রতি কাজে, প্রতি সময়ে আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকবেন।

(সাংবাদিকের প্রশ্ন ও উত্তর)

সাংবাদিক: গতকাল বিএনপির একজন শীর্ষ নেতা বলেছেন যে জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন নিয়ে ডাবল স্ট্যান্ডবাজি করছে। তাদের ব্যাখ্যাটা হচ্ছে যে তারা একদিকে নির্বাচন পেছানোর কথা বলছে, সংস্কারের কথা বলছে, অন্যদিকে বিভিন্ন আসনে তারা প্রার্থী ঘোষণা করছে। আসলে একটু বলবেন… বক্তা: আপনারা হয়তো লক্ষ্য করেছেন, এর জবাব আমাদের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডক্টর আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের কালকে কিন্তু একটা সেমিনার শেষে অলরেডি দিয়েছেন। এটা যেহেতু পলিটিক্যাল কোনো ডিসকাশন নয়, আমরা একটা প্রস্তুতি মিটিংয়ে এসেছি। আমাদের আমিরে জামাতের বক্তব্য অনেক সময় মিসকোট করা হয়, মিসইন্টারপ্রেট করা হয়। এটার ব্যাখ্যা আমাদের কেন্দ্রীয় ডক্টর তাহের সাহেব দিয়েছেন। আমরা নির্বাচন পেছানো, না করা, এ ব্যাপারে কোনো বক্তব্য কখনো রাখি নাই। বক্তব্যটা বুঝতে হবে। আমরা নির্বাচনও চাই, কিন্তু সেই নির্বাচন যেন যেনতেন নির্বাচন না হয়। তো যেনতেনর অর্থই হলো কোনো দিকে প্রশাসন ঝুঁকে পড়বে, নিরপেক্ষ হবে না, আবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হবে, আবার প্রশাসন জবরদস্তি করবে, কেন্দ্র দখল হবে – এই জাতীয় ইলেকশনকে আমাদের আমিরে জামাত মিন করেছেন যে, নির্বাচন আমরা হতে দেবো, কিন্তু যেনতেন নির্বাচন হতে দেবো না। আর যারা করবেন, আমরা তাদেরকেও মেনে নেব না।

সাংবাদিক: পিআর পদ্ধতির দাবি করে আসছেন। যদি সরকার পিআর পদ্ধতি মেনে না নেয়, তাহলে কি আপনারা নির্বাচনে যাবেন?

বক্তা: সেটা পরের কথা পরে। আমাদের দাবির উপর আমরা শক্ত আছি। মেনে নিতে হবে।

সাংবাদিক: প্রশ্নটা হলো যে আপনারা এই সমাবেশের মাধ্যমে দেশবাসীকে কী বার্তা দিতে চান?

বক্তা: এই যে বার্তা, সাত দফা দাবি আমাদের প্রচারণায় আপনারা দেখেছেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থেকে শুরু করে সাতটা দফা আমরা দিয়েছি। নির্বাচন নিরপেক্ষ চাই, আমরা বিচার চাই, সংস্কার চাই, আমরা স্থানীয় সরকার আগে চাই, পিআর পদ্ধতি চাই, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চাই, অনেকগুলো কথা আপনারা আছে। আপনারা এই সাত দফা দাবি আমরা উত্থাপন করছি।

সাংবাদিক: লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কি এখন নাই আপনি কি…

বক্তা: না, নাই, নাই। সরকারের ভূমিকায় এখনও জনগণ সংশয়ের মধ্যে আছে। এজন্যই বলছি এই ফিল্ড এখন নাই। আমরা, আমাদের আমিরে জামাতও এটা বলেছেন, এই পরিস্থিতিতে তো নির্বাচন আমরা মেনে নিতে পারি না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এটা করতে হবে। অনেক ধন্যবাদ। সকলকে ধন্যবাদ। আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।

Ud 24 News —-

 

 

Visited ২৮ times, ১ visit(s) today


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd