• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশকে আরও ৬০ দিনের ছাড় ট্রাম্পের দাবি: হরমুজ প্রণালী “সম্পূর্ণভাবে খোলা”—বিশ্ববাজারে বড় প্রভাব ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাড়াতে অনাগ্রহ ট্রাম্প, স্থায়ী চুক্তিতেই জোর ৭৭ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে তিন জাহাজের আগমন যুক্তরাষ্ট্র–ইরান নতুন আলোচনার ইঙ্গিত, দুই দিনের মধ্যেই অগ্রগতি? পুতিনের নতুন প্রস্তাব, ইরানকে শান্তি আলোচনায় আহ্বান একের পর এক অস্ত্র পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার: কী ইঙ্গিত দিচ্ছে পিয়ংইয়ং? ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতা: পাকিস্তানে যাচ্ছে প্রতিনিধি দল, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সামনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি: কিভাবে হলো এই সমঝোতা? বিস্তারিত রিপোর্ট নরসিংদীতে মাদরাসা ছাত্র নির্যাতন: শিক্ষক আটক, ঘটনায় চাঞ্চল্য

৪০ বছর ধরে নৌকা বানাই, তবুও ভাগ্য বদলায়নি: নৌকার মিস্ত্রি রোজির অসহায় কাহিনী

Dawan Rony
Update : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

Spread the love

 নিজস্ব প্রতিবেদক:

জীবনের চার দশক কেটে গেছে নৌকা বানাতে বানাতে। কাঠে হাতের ছাপ, পালায় তার পরিশ্রমের ঘ্রাণ—সব মিলিয়ে তিনি একজন অভিজ্ঞ নৌকা মিস্ত্রি। কিন্তু ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা ও অক্লান্ত পরিশ্রমও বদলাতে পারেনি তার ভাগ্য।

 

রোজির (ছদ্মনাম) বয়স এখন প্রায় ষাটের কোঠায়। ছোট নদীর পাড়েই তাঁর কর্মশালা—সেখানেই কাঠ কেটে, পাল বসিয়ে, ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নৌকা তৈরির কাজ করেন। প্রতিদিন মজুরি পান মাত্র ৮০০ টাকা। এই টাকায় চলে পরিবারের খাওয়া-দাওয়া, ঘরভাড়া, চিকিৎসা—সব।

 

“৪০ বছর ধরে নৌকা তৈরি করি। তবুও ভাগ্য একটুও বদলালো না। দুই মেয়ে ছিল, তাদের বিয়ে দিয়েছি। দুই ছেলেকে এই কাজে আনতে চাই না; সারাজীবন কষ্ট ছাড়া কিছু পাইনি। এই কাজ করে আর কতই বা পাওয়া যায়?”—বলছিলেন তিনি হতাশ কণ্ঠে।

 

রোজির অভিযোগ, তাদের মতো নৌকা শ্রমিকদের কষ্ট দেখার কেউ নেই।

“সরকার থেকে কোনো সাহায্য পাই না। কষ্ট-দুঃখ কারও নজরে পড়ে না। নৌকা বানাই, মানুষ নদীতে চলাচল করে; কিন্তু যারা এই নৌকা বানায় তাদের জীবনটাই সবচেয়ে অনিশ্চিত।”

 

নৌকা তৈরির মতো ঐতিহ্যবাহী কাজ আজও নদী অঞ্চলের মানুষের জন্য অপরিহার্য। কিন্তু যারা হাতের দক্ষতায় নৌকা তৈরি করে সমাজের চাহিদা পূরণ করেন, তাদের জীবন এখনো দারিদ্র্যের সীমানায়।

 

রোজির মতো শত শত নৌকা মিস্ত্রি দিন শেষে একই প্রশ্ন করেন—

“আমাদের পরিশ্রমে মানুষ নদী পাড়ি দেয়, কিন্তু আমাদের জীবন পার হতে এত কষ্ট কেন?”

 

Visited ৮ times, ১ visit(s) today


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd