
আজ, ১৮ জুন ২০২৫ পর্যন্ত এই দ্বিপক্ষীয় যুদ্ধ ষষ্ঠ দিবসে প্রবেশ করেছে, যেখানে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত ।
ইসরায়েল Natanz, Tehran, Tabriz, Isfahan, Khojir সহ সংবেদনশীল সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে; পাল্টা হিসেবে ইরান টেল আবিব, জেরুজালেম, ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে প্রতিহত করছে ।
🧨 নিহত ও সামগ্রিক ধ্বংস:
ইরানি দাবি: “Operation Rising Lion” নামে বড় অস্ত্রসহ ছোড়া অভিযান চালানো হয়েছে – যেখানে AI ব্যবহার, গুপ্তচরবৃত্তি ও ড্রোন সহায়তাযোগে ইরানি উচ্চপদস্থ সেনা ও বিজ্ঞানীগণ নিহত হয়েছেন ।
উপরন্তু IAEA সূত্রে জানানো হচ্ছে, Natanz পারমাণবিক স্থাপনায় ভূগর্ভস্থ কেন্দ্রগুলোর উপর আক্রমণ হয়েছে ।
ইরানের তরফে অন্তত ২০০–৪৫০ জন নিহত, ইসরায়েলে ঘনিষ্ঠ হিসাবেই মারা গেছে ২৪ জন, সার্ভিস প্রভৃতি ডিসরাপশন সহ প্রতিবেদন এসেছে ।
🚨 যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রতির এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূমিকা:
ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, “আমরা পুরোপুরি আকাশের নিয়ন্ত্রণ দখল করেছি” এবং ইরানের “অপারিশকৃত হয়রানি”–এর অবসান চাইছেন, ব্লিটজ বিমান ও যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছেন ।
তিনি প্রয়োজনে ইরানের সাথে কূটনৈতিক আলোচনার জন্য মার্কিন প্রতিনিধিদের পাঠানোর কথাও জানিয়েছেন ।
🏃♀️ মানবিক ভঙ্গুরতা:
তেহরান থেকে ব্যাপক জনগণের পলায়ন শুরু, শহরের বাজার বন্ধ, জ্বালানী সংকট, ইন্টারনেট যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে ।
জাতিসংঘ, WHO, IAEA সহ বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ প্রকাশ হচ্ছে – বিশেষ করে পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার কারণে অতিরিক্ত উচ্চতর মানবিক ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা আ
🔍 সারাংশ
বর্তমানে অদ্য (১৮ জুন ২০২৫) পরিস্থিতি অত্যন্ত তীব্র ও সংঘর্ষপূর্ণ। পারমাণবিক‑ ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুর উপর হামলা/পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র জড়িত, আর শহরবাসীর জীবনে বড় পরিবর্তন এসেছে। স্থিতিশীলতা ফেরাতে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা ও মানবিক উদ্যো
গ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।