UD 24 news
৩ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহকারীদের ওপর হামলা, সাংবাদিকদের আটক

Spread the love

পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহকারীদের ওপর হামলা, সাংবাদিকদেরও আটক ও মারধর

 

অধিকৃত পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহ করতে যাওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় জলপাই গাছ পুড়িয়ে দেওয়া, বাড়িঘর ও যানবাহনে হামলা এবং বহু মানুষকে আটক করার ঘটনাও ঘটেছে।

 

শনিবার পশ্চিম তীরের আবু দিস গ্রাম, আওয়ার্তা শহর এবং বেইতা শহরের আজ-জাহরা এলাকায় জলপাই বাগানসহ বিভিন্ন স্থানে এসব ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্র ও ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকদের প্রতিবেদনে জানা গেছে।

 

ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের সঙ্গে জলপাই সংগ্রহে অংশ নেওয়া এক স্বেচ্ছাসেবক জানান, সকালে প্রায় ৫০ জন মুখোশধারী বসতিস্থাপনকারী সেখানে এসে পাথর নিক্ষেপ শুরু করে এবং একটি বাড়িতে হামলা চালায়। কিছুক্ষণ পর ইসরায়েলি সেনারাও সেখানে পৌঁছে জলপাই সংগ্রহে থাকা ফিলিস্তিনি ও স্বেচ্ছাসেবকদের একত্র করে।

 

ওই স্বেচ্ছাসেবকের দাবি, সেনারা তাদের মাটিতে বসিয়ে অস্ত্রের মুখে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করে।

 

সাংবাদিকদের আটকের অভিযোগ

 

এদিকে নাবলুসের দক্ষিণে বেইতার জাবাল কামাস এলাকায় সাংবাদিকদের আটক ও মারধরের অভিযোগও পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় এবং কয়েকজনকে আটক করে।

 

ওসারিন গ্রামেও হামলার ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন ভিডিওতে ফিলিস্তিনি একটি গাড়ি ভাঙচুর এবং বেইতায় একটি বাড়িতে সশস্ত্র বসতিস্থাপনকারীদের হামলার দৃশ্য দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ওসারিনে ফিলিস্তিনি ও সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। এ সময় বাড়িঘরে হামলা, যানবাহনে পাথর নিক্ষেপ এবং কয়েকজন গ্রামবাসীকে মারধরের ঘটনাও ঘটে।

 

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু বাসিন্দা হামলা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। গত ফেব্রুয়ারি থেকে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় বসতিস্থাপনকারীদের হামলার ঘটনা আরও বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

পশ্চিম তীরে নিহতের সংখ্যা

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর পশ্চিম তীরে ইসরায়েলিদের হাতে ১ হাজার ২১২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২৫৪ জন শিশু।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব মৃত্যুর বেশিরভাগই ইসরায়েলি সেনাদের অভিযানে ঘটেছে। এক-চতুর্থাংশেরও বেশি মৃত্যুর জন্য বসতিস্থাপনকারীদের হামলাকে দায়ী করা হয়েছে।

 

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরু থেকে বসতিস্থাপনকারীদের হামলায় ৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ২০২২ সালের পর কোনো এক বছরে বসতিস্থাপনকারীদের হামলায় নিহতের এই সংখ্যা সবচেয়ে বেশি বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দুই পাকিস্তানি নিহত, ভারতীয় কূটনীতিককে তলব পাকিস্তানের

১

পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহকারীদের ওপর হামলা, সাংবাদিকদের আটক

২

আমদানি ৮৭ টাকা, বাজারে মাল্টা ৫২০—দামের ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন

৩

স্বাস্থ্যখাতে এক লাখ নিয়োগ, ৮০ শতাংশ নারী

৪

বিমানবন্দর থানায় আখতারুজ্জামান, চলছে আইনি প্রক্রিয়া

৫

তাইওয়ানে পৌঁছাল দুই নতুন এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান

৬

মেট্রোরেলের দুই লাইনে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন

৭

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বলসোনারো পরিবারের নতুন সমীকরণ

৮

কিয়েভে স্কুলে রুশ ড্রোন হামলা, ব্যাহত গণপরিবহন

৯

গাজায় ২০২৩ সালের হামলায় নিহত ১০৫ জনের মরদেহ উদ্ধার, হবে দাফন

১০

ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কে নতুন সুর, প্রকাশ্যেই ক্ষোভ ভারতের

১১

ঢাবির হলে ফিরল ‘শেখ মুজিবুর রহমান’ নামফলক

১২

হরমুজ প্রণালিতে কি ইরানের প্রভাব কমছে?

১৩

গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের কারিগরি আলোচনা

১৪

ফিফার নতুন প্রস্তাবে বাড়তি অর্থ পেতে পারে বাংলাদেশ

১৫

ইরানকে নিষেধাজ্ঞা ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব অস্বীকার ট্রাম্পের

১৬

জালুদে ফিলিস্তিনি পরিবারের বাড়িতে আগুন

১৭

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় হামাস কমান্ডার নিহতের দাবি

১৮

কিয়েভে রুশ হামলা, ন্যাশনাল একাডেমি ভবনে ড্রোন আঘাতে নিহত ২

১৯

ইয়েমেন ও হরমুজ নিয়ে রুবিও-সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

২০