
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। রাজধানী তেহরানে হাজারো মানুষ, ধর্মীয় নেতা, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হচ্ছেন।
তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা কমপ্লেক্সে খামেনির মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়েছে। শোকাহত মানুষের দীর্ঘ সারি সেখানে দেখা গেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি এই শোকানুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য ইরানে পৌঁছেছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় আলী খামেনি নিহত হন। ওই হামলায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান। ঘটনার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনি দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে নির্ধারিত সময়ে দাফন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। কয়েক মাস পর এবার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাত দিনের শোকানুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ বিদায়ের আয়োজন করা হয়েছে।
শোকানুষ্ঠানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানসহ দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। এছাড়া পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, ইরাকের প্রেসিডেন্ট, তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্টসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের খবর জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
বিশ্লেষকদের মতে, এই রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় শুধু একটি শোকানুষ্ঠান নয়; বরং মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের নজরও এখন তেহরানের দিকে।
Excerpt
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় শুরু হয়েছে। তেহরানে শতাধিক দেশের প্রতিনিধি ও হাজারো মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হয়েছেন।
মন্তব্য করুন