google-site-verification: google0caf19f0a969d342.html

মুষলধারে বৃষ্টির কারণে ২৬ মে ২০২৬ তারিখে দেশের বিভিন্ন গরুর হাটে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা। হাটজুড়ে পানি থৈ থৈ অবস্থায় ব্যবসা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে কষ্ট করে লালন-পালন করা কোরবানির পশু নিয়ে হাটে এসে বিপাকে পড়েছেন গরুর ব্যাপারীরা।
হাটের চারদিকে শুধু পানি আর কাদা। কোথাও হাঁটু সমান পানি, কোথাও তারও বেশি। এমন পরিস্থিতিতে পশু কেনাবেচা প্রায় বন্ধের মতো অবস্থায় পৌঁছেছে। ব্যাপারীরা জানান, বছরের পর বছর কষ্ট করে, অনেক সময় ঋণ করে গরু লালন-পালন করে তারা কোরবানির মৌসুমে ভালো দামে বিক্রির আশায় হাটে আসেন। কিন্তু এবারের টানা বৃষ্টি তাদের সেই আশাকে দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে।
হাটে উপস্থিত অনেক ব্যাপারীকে দেখা যায় হতাশ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে, কেউ মাথায় হাত দিয়ে বসে আছেন, আবার কেউ কেউ নীরবে কাঁদছেন। তাদের চোখে-মুখে স্পষ্ট দুশ্চিন্তার ছাপ। একদিকে পশু বিক্রি না হওয়া, অন্যদিকে পানিতে গরুর স্বাস্থ্য ঝুঁকি—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
অন্যদিকে, কিছু ক্রেতা তুলনামূলক কম দামে গরু কিনতে পারলেও, তাদের মধ্যেও অনিশ্চয়তা কাজ করছে। কারণ বৃষ্টির কারণে গরুর স্বাস্থ্য ও পরিবহন নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন শঙ্কা।
ব্যাপারীদের আশঙ্কা, যদি এভাবে হাটে পানি জমে থাকে, তাহলে গরুর বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে এবং পুরো মৌসুমের ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এমন আবহাওয়ায় হাট ব্যবস্থাপনায় আরও প্রস্তুতি ও উন্নত অবকাঠামো থাকা জরুরি ছিল।
সব মিলিয়ে, বৃষ্টির এই দুর্যোগ কোরবানির হাটে এক গভীর সংকট তৈরি করেছে।
আপনার মতামত কী? নিচে কমেন্টে জানাতে পারেন।
UD 24 news ————
মন্তব্য করুন