
বাড়িওয়ালাকে হত্যার পর মরদেহ ১১ প্যাকেটে, ভাড়াটিয়া আটক
কুমিল্লার দেবিদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামে এক গৃহকর্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ খণ্ডিত করে পলিথিনে মুড়িয়ে বাড়ির পেছনে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে এক ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল থেকে মরদেহের ১১টি খণ্ড উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় লাইলী আক্তার নামে এক ভাড়াটিয়াকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পেছনে পলিথিনে মোড়ানো মরদেহের খণ্ড পড়ে থাকতে দেখে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়রা ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া লাইলী আক্তারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
পুলিশের কাছে সোপর্দ করার আগে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে লাইলী আক্তার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে তার স্বামী আবুল কালাম আজাদ এবং রবিউল, সোহেল ও ইমন নামে আরও তিনজনের সম্পৃক্ততার কথা তিনি জানিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা লাইলী আক্তারকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। রাত সাড়ে ৭টার দিকে দেবিদ্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পলিথিনে মোড়ানো মরদেহের খণ্ডগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থল থেকে পলিথিনে মোড়ানো মরদেহের ১১টি খণ্ড উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিহতের মাথা ও পা এখনো উদ্ধার করা যায়নি।
আটক লাইলী আক্তারকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আরও যারা জড়িত থাকতে পারেন, তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
মন্তব্য করুন