• বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
অন্তঃসত্ত্বা শিশুর ভ্রূণের ডিএনএ টেস্ট নিয়ে গুজব, যা জানালো র‍্যাব নেত্রকোণায় শিশু ধর্ষণ মামলায় মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার, অভিযোগ অস্বীকার করে লাইভে বক্তব্য রাশিয়ার পর চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বেইজিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক যুক্তরাষ্ট্র-ইন্দোনেশিয়া চুক্তিতে ২৩১টি ‘Shall’! কী লুকানো আছে ভিতরে? ওয়াশিংটনে ট্রাম্পকে ঘিরে গু/লি চালানোর দাবি, সন্দেহভাজনের পরিচয় নিয়ে রহস্য ভারতকে ‘হেলহোল’ মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক: ট্রাম্পের পোস্টে কূটনৈতিক উত্তেজনা হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ জব্দের দাবি: উত্তেজনায় তেলবাজার, অনিশ্চিত কূটনীতি নৌ অবরোধে উত্তেজনা: যুদ্ধবিরতি বাড়ালেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কে অনিশ্চয়তা ১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়ে ১,৯৪০ টাকা, সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর গাজা পুনর্গঠনে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’—ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে গোপন আলোচনা

অন্তঃসত্ত্বা শিশুর ভ্রূণের ডিএনএ টেস্ট নিয়ে গুজব, যা জানালো র‍্যাব

Dawan Rony
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

Spread the love

ময়মনসিংহের মদন উপজেলায় আলোচিত ধর্ষণের ঘটনায় অন্তঃসত্ত্বা শিশুর ভ্রূণের ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে— সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন তথ্যকে গুজব বলে জানিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বুধবার (৬ মে) দুপুরে ময়মনসিংহে র‍্যাব-১৪ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে কথা বলেন র‍্যাব-১৪ এর কমান্ডিং অফিসার নায়মুল হাসান।

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ভ্রূণের কোনো ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়নি। তদন্তের প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা আইনগত প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

র‍্যাবের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, তদন্তের স্বার্থে যা যা প্রয়োজন, সবকিছুই যথাযথ নিয়ম মেনে করা হবে।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটির ভ্রূণের ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে অনেকেই নিজেদের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে নানা তথ্য প্রকাশ করেন, যা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

এদিকে অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। মঙ্গলবার রাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সোনমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভোরের দিকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনার মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে একটি মাদরাসা পরিচালনা করতেন আমান উল্লাহ। সেখানে পড়াশোনা করত ভুক্তভোগী শিশুটি। অভিযোগ রয়েছে, গত বছরের ২ অক্টোবর শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়।

পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। এরপর ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মদন থানায় মামলা দায়ের করেন।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গুজব বা যাচাইবিহীন তথ্য প্রচার না করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

Visited ৯ times, ২ visit(s) today


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd