Zahid Hassan
৫ অগাস্ট ২০২৫, ৫:৩৭ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

দাঁত তোলার পরও দেখা দেয় অনেকের সমস্যা

Spread the love

দাঁত ওঠানোর পর অনেকে নতুন সমস্যা নিয়ে আসেন। যেমন—সেখানে প্রচণ্ড ব্যথা বা কয়েকদিন হয়ে গেলেও সেখান থেকে রক্ত পড়ছে। দাঁত ওঠানোর পর ঠিকমতো রক্ত জমাট না বাঁধা, ধূমপান করা বা ওরাল কন্ট্রাসেপটিভ পিল ব্যবহার করার কারণে অনেক সময় ‘ড্রাই সকেট’ নামে একটি রোগ হয়, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং অনেকদিন ভোগায়। আবার সেখানে খাবার জমে সেকেন্ডারি ইনফেকশন হয়ে ব্লিডিং শুরু হতে পারে।

দাঁত ওঠানোর পর আমাদের প্রধানত তিনটি লক্ষ্য থাকে—

১. ব্যথা কমানো

২. রক্তপাত বন্ধ করা

৩. সেকেন্ডারি ইনফেকশন প্রতিরোধ করা

দাঁত ওঠানোর পরের ৪০ মিনিট: আপনার ডেন্টিস্ট ক্ষতস্থানে যে তুলা গুঁজে দেবেন, তা শক্ত করে কামড় দিয়ে রাখতে হবে। তখন মুখ খুলবেন না এবং থুথু ফেলার চেষ্টা করবেন না। মুখে যা আসে, গিলে ফেলতে হবে। কোনো কারণে সেই তুলা জায়গা থেকে সরে গেলে রক্তপাত সহজে বন্ধ হবে না।

দাঁত ওঠানোর পরের ২৪ ঘণ্টা: তখন গরম ও শক্ত খাবার খাওয়া যাবে না, যা কিছু খাবেন, নরম ও ঠান্ডা করে খাবেন। জোরে কুলি ও ব্রাশ করবেন না এবং জিহ্বা দিয়ে ক্ষতস্থানে নাড়াচাড়া করা যাবে না। এতে জমাট বাঁধা রক্ত গলে ফের রক্তপাত হতে পারে।

২৪ ঘণ্টা পর থেকে পরবর্তী এক সপ্তাহ: দাঁত ফেললে যে গর্ত তৈরি হয় (যদিও তা কিছুদিন পর এমনিতেই ভরাট হয়ে যায়), সেখানে খাবার জমে সেকেন্ডারি ইনফেকশন হওয়ার সুযোগ থাকে। তাই ২৪ ঘণ্টা পর থেকে জোরে জোরে কুলি করতে হবে, যাতে সেখানে কোনোভাবেই খাবার জমতে না পারে। হালকা গরম পানিতে লবণ দিয়ে ছয় থেকে সাতবার, সঙ্গে মাউথওয়াশ দিয়ে দুই বার কুলি করবেন। এ সময় ধূমপান করা যাবে না এবং যারা ওরাল কন্ট্র্রাসেপটিভ পিল ব্যবহার করেন, তা বন্ধ রাখতে হবে। সে সময় ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ খাবার খাবেন, যা দ্রুত মাড়ি সেরে উঠতে সহায়তা করে।

দাঁত ওঠানোর পর অ্যানেসথেসিয়ার কারণে মুখের কিছু অংশ ভারী ভারী মনে হওয়া বা ফুলে যাওয়া, থুথুর সঙ্গে অল্প অল্প রক্ত আসা স্বাভাবিক। দুই থেকে তিন দিনের মাথায় সেটি সেরে যায়। সঙ্গে সঙ্গে আপনার ডেন্টাল সার্জন অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যথানাশকসহ যে ব্যবস্থাপত্র দেবেন, সেটা পুরোপুরি অনুসরণ করতে হবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জামায়াত আমির তুরস্কে, পরে ওমরাহ করে ফিরবেন

১

ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ১০ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১৯৯৬

২

বাব আল-মান্দাবে তীব্র লড়াই, সরকারি বাহিনীর দখলে একাধিক অবস্থান

৩

৩৬ দিনের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ ঘোষণা, বাংলাবান্ধা থেকে টেকনাফ

৪

ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রসিকিউশনের আপিল

৫

শেখ হাসিনাকে ভারতে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী

৬

রিয়াদে আরামকো স্থাপনায় হামলার দাবি হুতিদের, পাল্টা ৯৭ অভিযান

৭

দুই পাকিস্তানি নিহত, ভারতীয় কূটনীতিককে তলব পাকিস্তানের

৮

পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহকারীদের ওপর হামলা, সাংবাদিকদের আটক

৯

আমদানি ৮৭ টাকা, বাজারে মাল্টা ৫২০—দামের ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন

১০

স্বাস্থ্যখাতে এক লাখ নিয়োগ, ৮০ শতাংশ নারী

১১

বিমানবন্দর থানায় আখতারুজ্জামান, চলছে আইনি প্রক্রিয়া

১২

তাইওয়ানে পৌঁছাল দুই নতুন এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান

১৩

মেট্রোরেলের দুই লাইনে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন

১৪

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বলসোনারো পরিবারের নতুন সমীকরণ

১৫

কিয়েভে স্কুলে রুশ ড্রোন হামলা, ব্যাহত গণপরিবহন

১৬

গাজায় ২০২৩ সালের হামলায় নিহত ১০৫ জনের মরদেহ উদ্ধার, হবে দাফন

১৭

ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কে নতুন সুর, প্রকাশ্যেই ক্ষোভ ভারতের

১৮

ঢাবির হলে ফিরল ‘শেখ মুজিবুর রহমান’ নামফলক

১৯

হরমুজ প্রণালিতে কি ইরানের প্রভাব কমছে?

২০