
ডিএনএ পরীক্ষায় মিল, নবজাতকের জৈবিক বাবা অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক
নেত্রকোনার মদন উপজেলার আলোচিত শিশু নির্যাতন মামলায় নতুন মোড় নিয়েছে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে। তদন্তে জন্ম নেওয়া নবজাতকের জৈবিক বাবা হিসেবে মামলার অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের সঙ্গে ডিএনএ মিল পাওয়া গেছে।
২৪ আগস্ট আদালতে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানান, বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে অভিযুক্তের সঙ্গে নবজাতকের জৈবিক সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, কয়েক বছর আগে অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকায় একটি মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। পারিবারিক পরিস্থিতির কারণে শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে ওই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করত। তার মা জীবিকার প্রয়োজনে অন্য জেলায় কাজ করতেন।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর পরিবার থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং আদালতের নির্দেশে তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
পরবর্তীতে নবজাতক জন্মের পর প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। সর্বশেষ পরীক্ষার প্রতিবেদনে অভিযুক্ত শিক্ষক ও নবজাতকের মধ্যে জৈবিক সম্পর্কের মিল পাওয়ার পর মামলাটির তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষ আশা করছে, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মামলার বিচারকাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে অভিযুক্ত ব্যক্তি কারাগারে রয়েছেন এবং মামলাটির পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী চলবে।
মন্তব্য করুন