UD 24 news
৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

পশ্চিম তীরে ৭০টির বেশি ঐতিহাসিক স্থাপনা নিয়ন্ত্রণে ৩৭ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ ইসরায়েলের

Spread the love

পশ্চিম তীরে ৭০টির বেশি ঐতিহাসিক স্থাপনা নিয়ন্ত্রণে ৩৭ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ ইসরায়েলের

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | UD 24 News

 

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ৭০টিরও বেশি ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে ইসরায়েল। এ লক্ষ্যে প্রায় ১১ কোটি ৩০ লাখ ইসরায়েলি শেকেল, অর্থাৎ প্রায় ৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ।

 

ইসরায়েলি সরকারের একটি স্টিয়ারিং কমিটি নতুন এই অর্থ বরাদ্দের অনুমোদন দিয়েছে। এর আগে মে মাসে পশ্চিম তীর, জর্ডান উপত্যকা ও অন্যান্য এলাকায় প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ঘিরে নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য প্রায় ২৫ কোটি শেকেল বরাদ্দের পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়েছিল।

 

সরকারি পরিকল্পনার আওতায় নতুন পর্যটনকেন্দ্র, দর্শনার্থী কেন্দ্র এবং গবেষণা অবকাঠামো গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। স্মোটরিচ এই উদ্যোগকে ইসরায়েলের ইতিহাস ও ইহুদি ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেছেন।

 

তবে ফিলিস্তিনি পক্ষের আশঙ্কা, প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের এই উদ্যোগের মাধ্যমে পশ্চিম তীরের ভূমি ও সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করা হতে পারে।

 

এই পরিকল্পনার আওতায় কোন কোন স্থাপনা নেওয়া হবে, তার পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। তবে ফিলিস্তিনি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে বেথলেহেমের কাছে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘সলোমন’স পুলস’ নিয়েও ইসরায়েলি আগ্রহের কথা উঠে এসেছে। এর আগে স্মোটরিচ এই স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান জানিয়েছিলেন।

 

পশ্চিম তীরে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সেবাস্তিয়া এলাকার মতো ঐতিহাসিক স্থান নিয়েও নিয়ন্ত্রণ, ভূমি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বেড়েছে।

 

অন্যদিকে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ নিয়েও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। জাতিসংঘসহ অধিকাংশ দেশ পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলোকে আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ মনে করে; ইসরায়েল এ অবস্থান প্রত্যাখ্যান করে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি এখন শুধু ঐতিহ্য সংরক্ষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি পশ্চিম তীরে ভূমি, প্রশাসনিক কর্তৃত্ব ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের বৃহত্তর বিরোধের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মনোহরদীতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক মন্তব্য, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ

১

ট্রাম্প-শি বৈঠকে বাণিজ্য, এআই ও তাইওয়ানসহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু

২

উত্তর ইরাকের বাশিকা ঘাঁটি ধাপে ধাপে ইরাককে দেবে তুরস্ক

৩

ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ইসলামাবাদমুখী সড়ক বন্ধ

৪

যুক্তরাষ্ট্র-চীন এআই উন্নয়নে গতি কমাবে না, বাড়ছে নিরাপত্তা শঙ্কা

৫

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই আলোচনার টেবিলে দুই দেশ

৬

এরদোয়ানের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, বাড়ছে বাংলাদেশ-তুরস্ক সহযোগিতা

৭

ইয়েমেনে কাবার আদলে স্থাপনা, হুথিদের ঘিরে বিতর্ক

৮

জাতিসংঘে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এরদোয়ানের তীব্র অভিযোগ

৯

জ্বালানির দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যে বড় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

১০

সৌদি আরবে হুথি হামলা বন্ধের আহ্বান জি৭-এর

১১

পশ্চিম তীরে বিদ্দুতে ব্যাপক অভিযান, আটক ৫৩ ফিলিস্তিনি

১২

গাজায় ইসরায়েলি গুলিতে শিশুসহ নিহত ৩

১৩

অপ্রতিম হত্যা মামলায় দুই কিশোর যাচ্ছে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে

১৪

আইফোন নিতে ডেকে নিয়ে অপ্রতিমকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

১৫

পাবনায় শিশুকে ধর্ষণ-হত্যা: অভিযুক্তের বাড়িতে জনতার হামলা

১৬

শফিকুর রহমান: সব দফা বিলুপ্ত করে এক দফা হতে পারে

১৭

তিতাসের নতুন কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

১৮

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন ভোটারদের অসন্তোষ বাড়ছে

১৯

১০১ চুক্তি পর্যালোচনা নিয়ে ভারতের প্রতিক্রিয়া, যা বলল দিল্লি

২০